Breaking News
Loading...

Info Post
টিন এজারদের দ্বারা সংঘটিত ৪টি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের "সত্য" কাহিনী

(১)ইরিন ক্যাফি ইরিন ক্যাফি নামের মেয়েটির খুব সামান্য একটি ইচ্ছা ছিল। সেটা হলো তার বয়ফ্রেন্ডের জেমস উইল্কিনসনের সাথে ঘুরতে যাওয়া। কিন্তু তার বাবা-মা তার এরকম ঘোরাঘুরির পক্ষপাতী ছিলেন না। অতএব ইরিনের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল, সেটা হলো পথের কাঁটা দূর করা। ২০০৮ সালের মার্চ মাস। জেমস ও তার আরেক বন্ধু ওয়াইড ইরিনদের বাড়িতে হামলা চালায়। ইরিনের মা সাথে সাথে নিহত হন, বাবা হন আহত। ইরিনের দুই ভাই ম্যাথু ও টাইলারকে হত্যা করা হয় অত্যন্ত অদ্ভুতভাবে। ম্যাথুকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়, টাইলারকে হত্যা করা হয় ছুরিকাঘাতে। ইরিন, জেমস ও ওয়াইড এরপর সে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরে তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে, দোষী সাব্যস্ত হয়। তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। 

(২)জোসুয়া ও তার মা আমেরিকার ডেট্রয়েট নামের জায়গাটি আগে থেকেই ছিল বেশ অপরাধ প্রবণ। এ শহরেই বেড়ে উঠছিল জোসুয়া স্মিথ নামে একটি ছেলে। ১৪ বছর বয়সী জোসুয়া তার মাকে গুলি করে হত্যা করে, যিনি সোফাতে শুয়ে ঘুমাচ্ছিলেন। কি ঘটেছিল আসলে? জোসুয়া স্থানীয় বখাটে ছেলেদের সাথে ঘুরে বেড়াতে চাইতো, যেটা তার মা টামিকো রবিনসনের পছন্দ ছিল না। টামিকো জীবনে অনেক পরিশ্রম করতেন ও চাইতেন তার ছেলেটি ভালভাবে বেড়ে উঠুক। জোসুয়া প্রায়ই অনেক রাতে দেরিতে ঘরে ফিরে আসতো। তার মা তাকে বললেন যে তাকে রাত ১১ টার মাঝে ঘরে ফিরতে হবে। শুধু তাই নয় ঘরে মেয়েদেরকে নিয়ে আসার ব্যপারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন তিনি। একদিন জোসুয়া বাড়ি ফিরে নিজের রুমে চলে গেল ও রাত তিনটায় বের হয়ে একটি শটগান দিয়ে গুলি করে তার মাকে হত্যা করলো। এরপর একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যাবার সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

(৩) মোবাইল ফোন ও একটি খুন কিশোর-কিশোরীদের অনেকেই আজকাল নিজেদের আইফোন, আইপ্যাড নিয়ে বেশ ব্যস্ত থাকে। কিন্তু সারাদিন এটা নিয়ে সময় কাটানো নিশ্চয়ই যে কোন বাবা-মা’র জন্য মাথাব্যথার কারণ হবে। এখন যে ঘটনাটি আমরা জানবো, সেখানে পুলিশ মেয়েট্র পরিচয় প্রকাশ করে নি। মেয়েটির বাবা তার থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়, যেটাতে সে সারাদিন ব্যস্ত থাকতো। রাগের মাথায় মেয়েটি তার বাবাকে আক্রমণ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে। রক্তাক্ত অবস্থায় তার বাবা সাহায্যের জন্য ৯১১ এ ফোন দিতে গেলে মেয়েটি তাকে বাধা দেয় ও বাধ্য করে আহত অবস্থায় হামাগুড়ি দিয়ে পাশের বাড়িতে গিয়ে ফোন দিতে। বাবা পরে মারা যান। মেয়েটিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।


(৪) ঘরের কাজ করতে বলা হল কেন? আলফো মুনোজ তার সৎ ছেলেকে ২২ ক্যালিবারের একটি বন্দুক চালাতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। কারণ যাতে কোন জরুরি অবস্থায় সে এটি ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু তিনি ভাবেন নি এটা হিতে বিপরীত হবে। ১২ বছর বয়সী ছেলেটির মা সারা মাদ্রিদ প্রায়ই ছেলেটিকে ঘরের বিভিন্ন কাজে তাকে সহযোগিতা করতে বলতেন। যেটা তার পছন্দ ছিল না মোটেও। একদিন ছেলেটিকে বকাঝকা করে মা বাইরে গেলেন। ফিরে আসামাত্রই ছেলেটি গুলি করে মাকে হত্যা করে ও বন্দুকটি তা সৎ বাবাকে ফিরিয়ে দেয়। পরে ছেলেটি দোষী সাব্যস্ত হয়।

0 মন্তব্যসমূহ:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
ব্রেকিং নিউজ
মালয়েশিয়ার বিমানের যাত্রীদের ভাগ্যে কি ঘটেছিল এই ভিডিওটি বলে দিবে ************ ভুয়া এমপিওভুক্তি দেখিয়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষক কর্মচারী অবৈধভাবে সরকারি ! ************ ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ৫০টি ‘সিডর’-এর সম্ভাবনা!; ************ নিয়ন্ত্রণহীন দেশের বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ ও বকেয়া ************ ধনী-গরিব বৈষম্যে দুনিয়া ধ্বংস: নাসার গবেষণা; ************* প্রতিটি স্কুলে বিনামূল্যে দেয়া হবে গর্ভনিরোধক বড়ি.. **** বিশ্বের সর্ববৃহৎ পুরুষাঙ্গ নিয়ে বিড়ম্বনায় যুবক (ভিডিওসহ ); ************ বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে পরিবার? তাহলে কিনে ফেলুন স্বামী কিংবা স্ত্রী!; ************ বাংলাদেশের ৭৯ কেজির মিষ্টি কুমড়া নিয়ে লন্ডনে হইচই! ************ গুগলে চাকরি পেতে চাইলে যে ৫টি গুণ থাকতে হবে আপনার মাঝে; ************ এসএমএসের মাধ্যমেই এটিএম মেশিন থেকে টাকা তোলা যাবে (ভিডিও); **** সবার আগে সব ধরনের খবর পেতে ভিজিট করুন http://www.durlovnews.com ,,,, ****